SSC Physics Chapter 3 Hand Note

SSC Physics Chapter 3

SSC Physics Chapter 3 Hand Note পদার্থবিজ্ঞান নোট

SSC Physics Chapter 3
SSC Physics Chapter 3 Hand Note

SSC Physics Chapter 3 অধ্যায় পরিচিতি

অধ্যায় ০৩ এর নাম বল বা Force। আজকে আমরা কথা বলবো পদার্থবিজ্ঞানের বল নিয়ে। এই প্রতিবেদনটি এসএসসি সকল ছাত্রছাত্রীদের জন্য অনকে গুরুত্বপূর্ণ।

আরো পড়ুন>> SSC Physics পদার্থ বিজ্ঞান ২য় অধ্যায় নোট

অধ্যায়ের সিলেবাস জানুন

জড়তা এবং বলের ধারণা, মৌলিক বলের প্রকৃতি, সাম্যতা ও সাম্যতাবিহীন বল, ভরবেগ, সংঘর্ষ, বস্তুর গতির উপর বলের প্রভাব, মহাকর্ষ বল, নিউটনের তৃতীয় সূত্র, ঘর্ষণ বল।

আরো পড়ুন>> SSC Physics পদার্থবিজ্ঞান ১ম অধ্যায় নোট

প্রাথমিক আলোচনা Primary Discussion

স্যার আইজ্যাক নিউটন গতির মৌলিক নীতিগুলোকে তিনটি সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। প্রাচীনকাল থেকেই গ্রহ নক্ষত্র সম্বন্ধে বিজ্ঞানীদের কৌতূহল অপরিসীম।

কোপারনিকাস সর্বপ্রথম বলেন, সূর্য স্থির এবং পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে। পরবর্তীকালে জার্মান বিজ্ঞানী কেপলার সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি সংক্রান্ত তিনটি সূত্র আবিষ্কার করেন।

এ সূত্রগুলো বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন সূর্য ও গ্রহগুলোর মধ্যে ক্রিয়ারত আকর্ষণ বলের প্রকৃতি নির্ণয় এবং একই সংগে এই বল পরিমাপের নিয়মও প্রতিষ্ঠা করেন।

এ আকর্ষণ বলের নাম মহাকর্ষ। এ সম্পর্কিত সূত্রটি নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। এখন আমরা সরাসরি SSC Physics Chapter 3 জ্ঞানমূলক প্রশ্নে চলে যাবো।

আরো পড়ুন>> SSC Physics Note Chapter 4

কমন উপযোগী জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

SSC Physics Chapter 3
SSC Physics Chapter 3 পদার্থবিজ্ঞান নোট

>> SSC Physics Chapter 3 Hand Note

এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১. জড়তা কাকে বলে?

উত্তর: বস্তু যে অবস্থায় আছে চিরকাল সেই অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যে প্রবণতা বা সে অবস্থা বজায় রাখতে চাওয়ার যে ধর্মকে জড়তা বলে।

প্রশ্ন ২. সাম্য বল কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুর উপর একাধিক বল ক্রিয়া করলে যদি বলের লব্ধি শূন্য হয় অর্থাৎ বস্তুটি সাম্যাবস্থায় থাকে, তবে ঐ বলগুলোকে সাম্য বল বলে।

প্রশ্ন ৩. স্পর্শ বলের সংজ্ঞা দাও। 

উত্তর: যে বল সৃষ্টির জন্য দুটি বস্তুর প্রত্যক্ষ সংস্পর্শের প্রয়োজন হয় তাকে স্পর্শ বল বলে।

প্রশ্ন ৪. ভরবেগ সংরক্ষণ সূত্রটি বিবৃত কর। 

উত্তর: ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্রটি হলো- একাধিক বস্তুর মধ্যে শুধু ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া ছাড়া অন্য কোনো বল কাজ না করলে কোনো নির্দিষ্ট দিকে তাদের মোট ভরবেগের কোনো পরিবর্তন হয় না।

প্রশ্ন ৫. নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্রটি লিখ। 

উত্তর: নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্রটি হলো- বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার এর উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

প্রশ্ন ৬.  মহাকর্ষ বল কী? 

উত্তর: এ মহাবিশ্বে প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে একটি বল দ্বারা আকর্ষণ করে। মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার এ পারস্পরিক আকর্ষণ বলই মহাকর্ষ বল।

প্রশ্ন ৭.  ঘর্ষণ কী?

উত্তর: একটি বস্তু যখন অন্য একটি বস্তুর সংস্পর্শে থেকে একের উপর দিয়ে অপরটি চলতে চেষ্টা করে বা চলতে থাকে তখন বস্তুদ্বয়ের স্পর্শতলে গতির বিরুদ্ধে একটি বাঁধা উৎপত্তি হয়, এ বাধাকে ঘর্ষণ বলে।

প্রশ্ন ৮. তড়িতচৌম্বক বল কী?

উত্তর: সলিনয়েডের ভিতরে কোনো কাঁচা লোহা বা ইস্পাতের দন্ড ঢুকিয়ে সলিনয়েডে তড়িৎ প্রবাহ চালালে দন্ডটি যে চুম্বক বল লাভ করে তাই তাড়িতচৌম্বক বল।

প্রশ্ন ৯. বল কাকে বলে?

উত্তর: যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করার চেষ্টা করে বা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করার চেষ্টা করে, তাকে বল বলে।

শীর্ষস্থানীয় স্কুলসমূহের টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর

>> SSC Physics Chapter 3 Hand Note

প্রশ্ন ১০. অসাম্য বলের সংজ্ঞা দাও। 

উত্তর: কোনো বস্তুর উপর একাধিক বল ক্রিয়া করলে যদি বলের লব্ধি শূন্য না হয় অর্থাৎ বস্তুটি সাম্যাবস্থায় না থাকে, তবে ওই বলগুলোকে অসাম্য বল বলে।

প্রশ্ন ১১. ঘাত বল কী?

উত্তর: খুব অল্প সময়ের জন্য যে বল প্রযুক্ত হয় তাই ঘাত বল।

প্রশ্ন ১২. দুর্বল নিউক্লিয় বল কাকে বলে?

উত্তর: যে স্বল্প পাল্লার এবং স্বল্প মানের বল নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরস্থ মৌলিক কণাগুলোর মধ্যে ক্রিয়া করে তাকে দুর্বল নিউক্লীয় বল বলে।

প্রশ্ন ১৩. অস্পর্শ বল কী?

উত্তর: দুটি বস্তুর প্রত্যক্ষ সংস্পর্শ ছাড়াই যে বল ক্রিয়া করে তাই অস্পর্শ বল।

প্রশ্ন ১৪. ভরবেগ কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুর ভর ও বেগের গুণফলকে ভরবেগ বলে।

আরো পড়ুন>> SSC Physics Notes PDF

কমন উপযোগী অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

>> SSC Physics Chapter 3 Hand Note

এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১. কর্দমাক্ত রাস্তায় হাঁটতে কষ্টকর কেন? ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর: রাস্তায় হাঁটার সময় রাস্তা ও পায়ের তলার মধ্যে যে ঘর্ষণ বল তৈরি হয় তার জন্য আমরা চলতে পারি। কিন্তু রাস্তা কাদাযুক্ত অর্থাৎ কর্দমাক্ত হলে রাস্তা ও পায়ের তলার মধ্যকার ঘর্ষণ বল হ্রাস পায়। এর ফলে কর্দমাক্ত রাস্তায় আমরা পিছলে যাই। যার দরুন কর্দমাক্ত রাস্তায় হাঁটা কষ্টকর।

প্রশ্ন ২. গাড়ি ব্রেক করার পরও একটু সামনে গিয়ে থামে কেন-ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর: গাড়ি ব্রেক করার পরও একটু সামনে গিয়ে থামে গতি জড়তার কারণে। আমরা জানি, গতিশীল বস্তু সর্বদা তার গতি অবস্থা বজায় রাখতে চায়, এজন্য গাড়ি ব্রেক করার পর সাথে সাথে থেমে না গিয়ে পূর্বগতির কারণে কিছুটা সামনে গিয়ে থামে।

প্রশ্ন ৩. বস্তুর ভর ধ্রুব হলেও ওজন ধ্রুব নয়- ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর: বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর নির্ভর করে। পৃথিবী সম্পূর্ণ গোলাকার না হওয়ায় এর ব্যাসার্ধ সর্বত্র সমান নয়। মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম এবং বিষুব অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি। এতে মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি এবং বিষুব অঞ্চলে সবচেয়ে কম হয়। এজন্য বস্তুর ওজন পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। অতএব বলা যায়, বস্তুর ভর ধ্রুব হলেও ওজন ধ্রুব নয়।

প্রশ্ন ৪. ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া বল সর্বদা ভিন্ন বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর: কোন বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করলে প্রথম বস্তু দ্বারা দ্বিতীয় বস্তুর উপর প্রযুক্ত বলটিকে ক্রিয়া বলে। সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বস্তুটিকে প্রথম বস্তুর উপর সমান এবং বিপরীত মুখি বল প্রয়োগ করবে। দ্বিতীয় বস্তু দ্বারা প্রথম বস্তুর উপর প্রযুক্ত বলটিকে প্রতিক্রিয়া বলে।

প্রশ্ন ৫. 10 N বল বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: 10N বল বলতে বোঝায়, 1kg ভরের কোনো বস্তুর ওপর যে পরিমাণ বল ক্রিয়া করে 10 ms-2 ত্বরণ সৃষ্টি করে তা। অথবা, কোনো বল 10kg ভরের কোনো বস্তুর ওপর ক্রিয়া করে 1ms-2 ত্বরণ সৃষ্টি করলে সেই বলের পরিমাণ হবে 10N।

প্রশ্ন ৬. দেওয়ালে পেরেক ঢুকালে আটকে থাকে কেন? ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর: দেয়ালে পেরেক ঢুকালে যদি ঘর্ষণ না থাকতো তাহলে পেরেকটি বের হয়ে আসত অথবা ভিতরে ঢুকে যেত। ঘর্ষণের কারণে দেয়াল ও পেরেকের গতির বিপরীতে একটি বলের উদ্ভব হয় যা পেরেকটিকে আটকে রাখতে সহায়তা করে। সুতরাং বলা যায় যে, দেওয়ালে পেরেক ঢুকালে তা আটকে থাকার কারণ হলো ঘর্ষণ।

প্রশ্ন ৭. বল ও ত্বরণের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর: নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটি প্রায়শই F = ma হিসাবে বলা হয়, যার অর্থ একটি বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল বল (F) বস্তুর ত্বরণ (a) ও ভর (m) এর গুণফলের সমান। এর মানে হল একটি বস্তুর ভর যত বেশি, এটিকে ত্বরান্বিত করতে আপনার যত বেশি বল প্রয়োজন, এবং যত বেশি বল, বস্তুর ত্বরণ তত বেশি।

প্রশ্ন ৮. জড়তা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর: জড়তা বা জাড্য বলতে, কোনো বস্তু যে অবস্থায় আছে সেই অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যে প্রবণতা, বা সেই অবস্থা যেমন গতি বা স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে চাওয়ার যে ধর্ম, তা বোঝানো হয়ে থাকে। জড়তার ধারণা পদার্থবিজ্ঞানের একটি মৌলিক বিষয় যা বস্তুর গতীয় অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং বস্তুর উপর প্রযুক্ত বলের প্রভাব বর্ণনা করে। বিজ্ঞানী নিউটন তার ফিলোসোফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথম্যটিকা বইতে জড়তাকে তার প্রথম সূত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করেন। নিউটনের প্রথম সূত্রটি হল:-

“বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থিরই থাকে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরল পথে চলতে থাকে।”

আরো পড়ুন>> Physics Notes Key Book Class 9, IX, SSC-I, Matric KPK Boards

>> SSC Physics Chapter 3 Hand Note

>> SSC Physics Chapter 3

>> SSC Physics Chapter 3 Hand Note

>> SSC Physics Chapter 3 সাজেশন

>> এসএসসি সাজেশন SSC Physics Chapter 3

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *