রহস্যময় পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত রহস্য

পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত

রহস্যময় পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত রহস্য

পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত
রহস্যময় পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত রহস্য

রহস্যময় পৃথিবীর ৫টি অসমাধিত রহস্য জানুন

আমাদের এই পৃথিবী বিভিন্ন রহস্যে ভরা। এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা আমরা বিশ্বাস করলেও আমাদের চোখ বিশ্বাস করতে চায়না। এই সমস্ত রহস্যের সমাধান এখনো পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা করতে পারেনি।

আজকের এই প্রতিবেদনে আমি রহস্যময় ৫টি অসমাধিত রহস্য সম্পর্কে আপনাদের জনানোর চেষ্টা করব, যেগুলো এখনো পর্যন্ত কোনো বিজ্ঞানী সমাধান করতে পারেনি। রহস্যময় পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত রহস্য

আরো পড়ুন>> পৃথিবীর সবথেকে রহস্যময় স্থান

AREA 51

আমেরিকার Navada তে 7500 km2 এমন একটা Top Sectet এলাকা আছে, যাকে এরিয়া ৫১ বলা হয়ে থাকে। যারা এলিয়েন অথবা Mysterial প্রতিবেদন পড়তে পছন্দ করে, তাদের মধ্যে অনেকেই এই জায়গাটা সম্পর্কে আগে থেকেই হয়তো জানে।

এখানে আমেরিকার এয়ার ফোর্সের এমন একটা এয়ার ব্যাচ আছে, যেখানে নানা ধরনের রহস্য লুকিয়ে আছে। আর হয়তো এই কারণে এই এলাকার আশেপাশে যাওয়াটাও নিষিদ্ধ।

এমনকি কাজের জন্য যারা এই এলাকায় যায় তাদেরও প্রথমে টপ লেভেলের সিকিউরিটি ক্লিরিয়ারেন্স করতে হয় এবং তারপর তাদের একটা স্পেশাল প্লেনে করে বসিয়ে আনা হয়, যে প্লেনের জানালা থেকেও বাইরে কিছু দেখা যায় না।

এতো বেশি গোপোনীয়তার জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যেও এরিয়া ৫১ সম্পর্কে অনেক ধরনের চিন্তা ভাবনা আসতে শুরু করে। অনেকে মনে করে আমেরিকার আর্মি এখানে UFO এর উপর গবেষণা করছে।

অনেক থিউরি এটাও বলে যে এরিয়া ৫১ এ টাইম ট্রাভেল, টেলিপোর্টেশন এবং এলিয়েনদের সাথে Contact করার জন্য রিসার্জ এবং এক্সপেরিমেন্ট করা হয়। রহস্যময় পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত রহস্য

তো এরকম কি আছে এরিয়া ৫১ এ যা আমেরিকা প্রায় ৬৫ বছর ধরে সারা পৃথিবীর কাছে লুকোনোর চেষ্টা করছে। এই এরিয়া ৫১ সম্পর্কে মানুষের কিউরোসিটি তখন বেরে যায়, যখন ১৯৯৭ সালে একজন রেডিও হোস্ট, আর্ট বেলকেকে একটা রহস্যময় কল করে।

যিনি কল করছিলেন তিনি প্রচন্ড পরিমান ভয় পেয়েছিলেন এবং নিজেকে এরিয়া ৫১ এর একজন X-Employ হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিলেন।

আরো পড়ুন>> পৃথিবীর অমিমাংসিত ৫টি রহস্য যার

তিনি আর্ট বেলকেকে বলে তাকে কেউ মারার চেষ্টা করতে পারে এবং সে যেটা বলছে সেটাকে যেন সবাই গুরুত্ব দিয়ে শোনে। তিনি বলেন আমেরিকার সরকার আমারা যে পৃথিবীতে বর্তমানে বসবাস করি সেটাকে পাল্টে দিতে চলেছে।

তিনি এটাও বলেন এলিয়েন বাস্তবে এক্সজিস্ট করে এবং এরিয়া ৫১ এ UFO এর উপর রির্ভান্স ইঞ্জিনিয়ারিং করে সেটার উপর গবেষণা চালানো হচ্ছে।

এরপর সেই ব্যক্তি আরো কিছু বলবে এমন সময় স্যাটেলাইটের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। যার ফলে ঐ ব্যক্তির সাথে যোগাযোগও হারিয়ে যায়। রহস্যময় পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত রহস্য

প্রায় ৭ মাস কেঁটে যাওয়ার পর ঐ ব্যক্তি আবার আর্ট বেলকে রেডিও Show চলাকালীন সময় কল করেন এবং তাকে বলে, এর আগে ‍তিনি যেই কলটা করেছিল সেটা আসলে ফেক কল ছিল।

আর সেই সময় তিনি যেটা বলেছিলেন, সেটা ঠাট্ট ছাড়া আর কিছু ছিল না। তবে আগের কলটা যদি ফেক হয়ে থাকে তবে ঐ ব্যক্তি এতো ভয় পেয়েছিল কেন।

আর ভাবার বিষয় এটা যে, সেই সময় স্যাটেলাইটের যোগাযোগ কেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয় কলটাযে ঐ ব্যক্তি নিজে থেকেই করেছিল নাকি তাকে প্রেসার দিয়ে ঐ কলটা জোর করে করানো হয়েছিল।

সেটা সম্পর্কেও একটা ধোয়াশা থেকেই যায়। এ কারণে সেই কলটা এখনো পর্যন্ত রহস্যই থেকে গেছে। রহস্যময় পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত রহস্য

পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত
রহস্যময় পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত রহস্য

ALIEN SKELITON 

এই ঘটনাটা আসলে ২০০৩ সালের। যখন চিলির Atacama trezor থেকে ৬ ইঞ্চি লম্বা, হাতির মতো সাইজের একটা Skeleton পাওয়া যায়।

এই Skeleton কে Atacama trezor এর একটা ফাকা জায়গায়, যেখানে কেউ যায় না, সেরকম জায়গা থেকে একটা সাদা কাপড় মোড়া অবস্থায় পাওয়া যায়।

যেহেতু এটা মাত্র ৬ ইঞ্চির ছিলো এবং এর মাথা Skeleton টা মানুষের মাথার Skeleton এর সাথে যেহেতু Match করছিলো না। তাই মনে করা হয় যে, এটা এমন একটা এলিয়েন ছিল যে পৃথিবীতে তো আসছিল কিন্তু এখান থেকে রির্টান যেতে পারে নি।

আর এলিয়েন মনে করার এই ধারণাটা আরো বেশি শক্তিশালী হয়ে যায় যখন রিচার্জে এটা বোঝা যায় যে, এই Skeleton টার বয়স ৫ থেকে ৬ বছর বয়সী কোনো প্রাণীর হতে পারে।

কিন্তু এর সাইজ টা দেখে এই কথাটা বিশ্বাস করাটা একেবারেই সম্ভব ছিল না। কারণ ৫ থেকে ৬ বছর বয়সী মানুষ এত ছোট কিবাবে হতে পারে। তাই এটাকে অনেক বছর ধরে এলিয়েনই ধরা হয়।

তবে ২০১৩ সালে ডাক্তারদের একটা টিম এর উপর রিচার্জ করা শুরু করে DNA সেম্পল এবং হারের অনেক সেম্পল নেওয়ার পর তারা জানতে পারে যে, এই Skeleton প্রায় ৪০ বছর পুরোনো এবং এটা কোনো এলিয়েন নয় বরং মানুষেরই Skeleton ছিল।

হয়তো সে জন্মানোর আগেই কোনো কারণে মারা গিয়েছিল। কিন্তু এর বয়ষ ৬ বছর বয়সী মানুষের মতো কীভাবে হয়ে গেল এটা এখনো একটা রহস্য হয়েই থেকে গেছে। রহস্যময় পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত রহস্য

আরো পড়ুন>> White Hole সত্যিই কি আছে

New Guinea Iguanodon 

New Guine এর গভীর জঙ্গলে একবার নয় বরং চার বার বিভিন্ন জায়গায় একটা অতভূত ধরনের প্রাণীকে দেখা যায়। যারা দেখেছিল তারা একে একটা ডায়নোসরের মতই ডিসকাইব করেছিল।

Independent Newspaper PNG এর খবর অনুযায়ী ১১ই ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালে লেক মারিতে, কয়েকজন নৌকা যাত্রী এক অতভূত ধরনের প্রাণীকে দেখতে পায়।

আর তারা যা দেখেছিল তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী এটা অনেকটা ডাইনোসরের মতো ছিল। তার ঠিক পরের দিন এক চার্যের পাত্রী এবং তার সহকর্মী জঙ্গলের মধ্যে এরকম ধরনের এক যন্তুকে দেখে।

তিনি বলেন প্রাণীটা একটা ট্রাকের মতো বড় ছিল এবং প্রাণীটা নিজের দুই পায়ে দাঁড়িয়ে গাছের পাতা ছিড়ে ছিড়ে খাচ্ছিল। তার পা গুলো নারকেল গাছের গোড়ার মত মোটা ছিল এবং দাঁত আমাদের হাতের আঙ্গুলের মত বড় বড়।

তবে এই দুটি ঘটনার উপর মানুষ বেশি গুরুত্ব দেয় নি। কিন্তু ৫ বছর পর ঐ একই প্রাণী নিউগিনির Easter Island এ দেখা যায়। এই গ্রামটার নাম Rabaul।

যেখানে অনেক লোকাল গ্রামবাসীরা এই ডাইনোসরের মতো প্রাণীটাকে দেখে। এই খবরটা ওখান থেকে এত বেশি আসছিল, যে অনেক নিউজ এজেন্সি বাধ্য হয় এই খরবটাকে ছাঁপতে।

খবরটা ছড়িয়ে যাওয়ার কারণে ওখানকার সরকারও একটা সার্চ পার্টি তৈরি করে। গ্রামবাসীদের কথা মতো তারা এত বড় এবং অতভূত টাইপের দেখতে জানোয়ার এর আগে কখনো দেখেনি।

তাই প্রাণাটাকে দেখার সাথে সাথে তারা ওখান থেকে পালিয়ে আসছিল। পুলিস অফিসারদের একটা টিমকে M60 machine gun এর সাথে জঙ্গলের মধ্যে ঐ প্রাণীটাকে খোজার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সরকারী অফিসাদের কথা অনুযায়ী জঙ্গলে তারা এরকম কোনো প্রাণীকে খুজে পায় না।

কিন্ত গ্রামবাসীদের কথা অনুযায়ী পুলিস অফিসাররা ঐ প্রাণীটাকে মেরে ওটার উপর রিসার্চ করার জন্য হয়তো কোথাও নিয়ে চলে গিয়েছিল। তবে এই ঘটনাটা আসলে কি ছিল এটা একটা রহস্যই থেকে গেছে। 

পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত
রহস্যময় পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত রহস্য

DOOR TO HELL 

কিছু মানুষের জন্য এটা নরকের দরজা। কিন্তু বিজ্ঞান একে CRATER বলে থাকে। নাম তবে জাই হোক না কেনো তবে এই ব্যাপারে কোনো সন্ধেহ নেই, যে এই CRATER টা দিনের পর দিন ক্রমাগত বড়ই হয়ে চলেছে।

রাশিয়ার Batagaika Creation Easton সাইবেরিয়াতে উপস্থিত। যাকে পৃথিবীর সবথেকে বড় CRATER ও বলা হয়ে থাকে। অবাক করা বিষয় হলো এটা প্রতিবছর প্রায় ৩০ মিটার পর্যন্ত বড় হয়ে যায়।

বর্তমানে এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১ কলোমিটার এবং গভীরতা ২৮২ ফুট এর মতো। কিন্তু স্যাটেলাইট ইমেজ থেকে এটা দেখা গেছে যে, ১৯৯১ সালে এই CRATET টা মাত্র ৫০০ মিটারের লম্বা ছিল এবং তারপর বাড়তে বাড়তে ২০১৮ সালে এর দৈর্ঘ্য প্রায় 0.65 KM হয়ে যায়।

লোকাল মানুষেরা বলে এই CRATER এর মধ্যে থেকে অতভূত অতভূত ধরনের শব্দ শোনা যায়। আর এই কারণেই এর নাম দেওয়া হয় DOOR TO HELL বা নরকের দরজাও অনেকে রেখেছে। 

আরো পড়ুন>> বিশ্বের ভয়ংকর ১০ টি সেতু

NAZCA LINES

১৯৯০ সালে একটা কমারশিয়াল এরাপ্লেন পেরুরর উপর থেকে যাচ্ছিল। তখনই পাইলট নিচে মাটিতে অতভূত অতভূত ধরনের ফিগাল তৈরি করা দেখতে পায়।

এই ফিগাল গুলো মাটিতে এত বড় বড় এলাকা জুরে ছড়িয়ে আছে যে, নিচে থেকে কোনো ভাবেই অনুমান করা যাবে না যে এগুলো কতটা বড়।

Nazca Lines এর নামে পরিচিত এই ফিগাল গুলো পেরুতে প্রায় ২০০ মাইল এলাকা জুরে ছড়িয়ে আছে। কিছু পাহারের উপরে তৈরি করা আছে আবার কিছু ফ্লেট সারফিসেও দেখা যায়। জীব জান্তু থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের প্রাণীদের নকশা এখানে রয়েছে।

এখনো পর্যন্ত ২৪ টা এরকম ধরনের নকশা এখান থেকে খুজে পাওয়া গেছে আর হয়তো এরকম অনেক আছে যেগুলো এখনো পর্যন্ত আমাদের চোখে পড়ে নি।

বিজ্ঞানীদের কথা অনুযায়ী এই নকশা গুলোর কয়েকটি প্রায় দুই থেকে তিন হাজার বছরের পুরোনো। তবে এগুলো কেন তৈরি করা হয়েছিল এখনো পর্যন্ত কেউ জানে না। তাই এই Nazca Lines গুলো এখনো পর্যন্ত রহস্যই রয়ে গেছে। 

আরো পড়ুন>> পৃথিবী ধ্বংস হবে মৌমাছি ছাড়া বিস্তারিত জানুন

শেষ কথা

এই ছিলো আমাদের আজকের প্রতিবেদন। আশা করি এই প্রতিবেদন থেকে আপনি বিজ্ঞানের অনেক অজানা রহস্য সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এরকম রহস্যময় প্রতিবেদন পেতে আমাদের এই সাইটের সাথেই থাকবেন।

>> রহস্যময় পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত রহস্য

>> পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত

>> রহস্যময় পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত রহস্য

>> পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত

>> পৃথিবীর ৫ টি অসমাধিত সম্পর্কে জানুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *